আমরা বিশ্বাস করি খেলাধুলার আনন্দ আরও বেশি হওয়া উচিত। 4447 সেই আনন্দকে নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য উপযুক্ত করে তোলার জন্য কাজ করে।
বাংলাদেশে ক্রিকেট মানে শুধু একটি খেলা নয় — এটা কোটি মানুষের আবেগ। প্রতিটি ম্যাচের দিন অফিস থেকে শুরু করে চায়ের দোকান পর্যন্ত একটাই প্রশ্ন: "বাংলাদেশ জিতবে তো?" সেই আবেগকে আরও রোমাঞ্চকর করার জন্য অনলাইন বেটিংয়ের দিকে অনেকেই আগ্রহী হয়েছেন।
কিন্তু বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়নি — ইংরেজি ইন্টারফেস, স্থানীয় পেমেন্ট নেই, বাংলায় সাপোর্ট নেই। 4447 সেই শূন্যস্থান পূরণ করতেই এসেছে।
আমাদের লক্ষ্য একটাই: বাংলাদেশের প্রতিটি ক্রীড়াপ্রেমীকে একটি নিরাপদ, সহজ এবং আনন্দময় বেটিং অভিজ্ঞতা দেওয়া — তার নিজের ভাষায়, তার নিজের পেমেন্ট পদ্ধতিতে।
4447-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে কিছু মূল বিশ্বাস ও মূল্যবোধ
অভিজ্ঞ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, ক্রীড়া বিশ্লেষক ও গ্রাহক সেবা দলের সমন্বয়ে গঠিত আমাদের টিম
এই দলের পাশাপাশি ১০০+ প্রকৌশলী, বিশ্লেষক ও সাপোর্ট বিশেষজ্ঞ প্রতিদিন 4447-কে আরও ভালো করার জন্য কাজ করছেন।
4447-এর বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তি রয়েছে কঠোর নিয়মনীতি ও প্রযুক্তিগত সুরক্ষায়
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবাগুলো সরাসরি ব্যবহার করুন। নিরাপদ ও তাৎক্ষণিক।
২০২০ সালে যখন 4447-এর যাত্রা শুরু হয়, তখন বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং একটি নতুন অধ্যায়ের দ্বারপ্রান্তে ছিল। ইন্টারনেটের প্রসার ঘটছিল দ্রুতগতিতে, স্মার্টফোন পৌঁছে যাচ্ছিল মফস্বল শহরেও। বিকাশ ও নগদ ততদিনে কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু বেটিং প্ল্যাটফর্মগুলো তখনও এই বাস্তবতার সাথে তাল মেলাতে পারেনি।
4447-এর প্রতিষ্ঠাতা দলটি বুঝেছিল যে একজন রাজশাহী বা সিলেটের ক্রিকেটপ্রেমী যখন বাংলাদেশ ম্যাচে বাজি ধরতে চান, তখন তার সামনে যে প্ল্যাটফর্মগুলো ছিল সেগুলো মোটেই তার জন্য তৈরি নয়। ইংরেজি ইন্টারফেস, আন্তর্জাতিক ব্যাংক কার্ডের প্রয়োজনীয়তা, এবং ইংরেজিতে সাপোর্ট — এই বাধাগুলো পেরিয়ে একজন সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর পক্ষে বেটিং শুরু করা কঠিন ছিল।
4447 শুরু থেকেই একটি নীতি মেনে চলেছে — প্রতিটি ফিচার ডিজাইনের সময় প্রশ্ন করা হয়: "একজন ময়মনসিংহের স্মার্টফোন ব্যবহারকারী কি এটা সহজে বুঝতে পারবেন?" এই মানসিকতাই 4447-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।
বিকাশ ও নগদ ইন্টিগ্রেশন প্রথম দিন থেকেই ছিল — এটা কোনো অতিরিক্ত ফিচার নয়, এটা 4447-এর মূল ভিত্তি। প্রতিটি ডিপোজিট মিনিটের মধ্যে ব্যালেন্সে যোগ হয়, প্রতিটি উইথড্রয়াল সাধারণত ৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়। এই গতি ও নির্ভরযোগ্যতা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস অর্জনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
প্রথম বছরে 4447-এর সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান ছিল বিপিএল। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের প্রতিটি ম্যাচে হাজারো নতুন ব্যবহারকারী প্ল্যাটফর্মে যোগ দিয়েছিলেন। সেই সাফল্যই 4447 দলকে আরও বড় পরিকল্পনার দিকে নিয়ে গেছে।
এখন 4447-এ শুধু ক্রিকেট নয়, ফুটবল, কাবাডি, টেনিস, বাস্কেটবলসহ ৩০টিরও বেশি খেলার বেটিং মার্কেট পাওয়া যায়। প্রিমিয়ার লিগের এল ক্লাসিকো থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবল লিগ পর্যন্ত সব কভার করা হয়। পাশাপাশি লাইভ ক্যাসিনো, স্লট, লটারি — একটি সম্পূর্ণ বিনোদন প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে 4447।
4447 বিশ্বাস করে যে বেটিং একটি বিনোদনের মাধ্যম, জীবিকার উপায় নয়। এই বিশ্বাস থেকেই প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল গেমিংয়ের বিভিন্ন টুল যোগ করা হয়েছে। ডিপোজিট লিমিট সেট করা, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখা, এমনকি স্থায়ীভাবে সেলফ-এক্সক্লুশনের ব্যবস্থাও রয়েছে।
4447-এর সাপোর্ট টিম নিয়মিত সদস্যদের দায়িত্বশীল গেমিং বিষয়ে তথ্য দেয়। যদি কেউ মনে করেন যে তার বেটিং অভ্যাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, তাহলে সাপোর্টে যোগাযোগ করলে তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া যাবে।
4447-এর পরিকল্পনা শুধু বাংলাদেশেই সীমাবদ্ধ নয়। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশেও বাংলাভাষী ক্রীড়াপ্রেমীরা রয়েছেন যারা একটি বিশ্বাসযোগ্য ও স্থানীয় বেটিং অভিজ্ঞতা চান। 4447-এর প্রযুক্তি ও সেবার মান সেই চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম।
প্রতি বছর নতুন ফিচার, নতুন গেম ও নতুন পুরস্কার নিয়ে 4447 এগিয়ে চলছে। আমাদের প্রতিটি সদস্যের বিশ্বাস ও আনুগত্যই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা। আপনিও এই যাত্রার অংশ হন।
লক্ষাধিক বাংলাদেশি ক্রীড়াপ্রেমীর সাথে একটু রোমাঞ্চ যোগ করুন। নিবন্ধন করুন, প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান।